গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রাইসা খানম নামে দেড় বছরের এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পেরোলেও এখনো তার খোঁজ মেলেনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় রাইসা।
সে উপজেলার বেথুড়ী ইউনিয়নের সাধুহাটি গ্রামের রমিজ শরীফের মেয়ে।
ঘটনার পরের দিন নিখোঁজ শিশুর মামা স্বপন মোল্লা কাশিয়ানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির মা রহিমা বেগম বলেন, দুপুরে রাইসা তার দাদীর সাথে দুষ্টুমি করছিল। এরপর ঘরে তার মায়ের কাছে ছিল। হঠাৎ করে তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাড়ির আশপাশ, খাল-নালা ও পুকুরসহ সব জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও রাইসার কোনো খোঁজ মেলেনি।
এদিকে ঘটনার এক সপ্তাহ হতে চললেও কোনো ক্লু না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নিখোঁজ শিশুর পরিবার ও স্বজনরা।
কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশের সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং তদন্ত চলছে। সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় রাইসা।
সে উপজেলার বেথুড়ী ইউনিয়নের সাধুহাটি গ্রামের রমিজ শরীফের মেয়ে।
ঘটনার পরের দিন নিখোঁজ শিশুর মামা স্বপন মোল্লা কাশিয়ানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির মা রহিমা বেগম বলেন, দুপুরে রাইসা তার দাদীর সাথে দুষ্টুমি করছিল। এরপর ঘরে তার মায়ের কাছে ছিল। হঠাৎ করে তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাড়ির আশপাশ, খাল-নালা ও পুকুরসহ সব জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও রাইসার কোনো খোঁজ মেলেনি।
এদিকে ঘটনার এক সপ্তাহ হতে চললেও কোনো ক্লু না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নিখোঁজ শিশুর পরিবার ও স্বজনরা।
কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশের সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং তদন্ত চলছে। সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক